পূজা মানে শুধু নতুন শাড়ি নয় — পূজা মানে পাঁচটা দিনের পাঁচ রকম মেজাজ। সকালের অঞ্জলি, বিকেলের ঠাকুর দেখা, রাতের আড্ডা — প্রতিটির জন্য আলাদা সাজ চায় মন। চারুকথনের পূজা কালেকশন সেই ভাবনা থেকেই তৈরি।
ষষ্ঠী ও সপ্তমী: হালকা, স্বস্তিদায়ক
দিনের বেলার জন্য সুতির হাতে আঁকা শাড়িই সবচেয়ে আরামের। হালকা রঙের জমিনে ছোট মোটিফ — যেমন কুসুমকলি বা আভা — সারাদিন পরে থাকলেও ক্লান্ত লাগে না। সঙ্গে ছোট টিপ, কানে রুপোর দুল, খোলা চুল।
অষ্টমী: উৎসবের মূল দিন
অঞ্জলির দিন একটু জমকালো সাজ মানায়। গাঢ় জমিনে বড় তুলির কাজ, চওড়া পাড় — চন্দ্রিকা বা নীলমনি-র মতো শাড়ি এই দিনের জন্য। কুঁচি একটু চওড়া করে ধরুন, আঁচল ছেড়ে রাখুন যাতে আঁকা নকশাটা পুরো দেখা যায়।
নবমী ও দশমী: গল্পের শেষ পাতা
নবমীর রাত আর দশমীর সিঁদুর খেলা — লাল-সাদার বিকল্প নেই। তবে চিরাচরিত লাল পাড়ের বদলে হাতে আঁকা লাল মোটিফের শাড়ি বেছে নিলে সাজটা হয় একইসঙ্গে পরিচিত আর আলাদা।
ছোট্ট কিছু পরামর্শ
হাতে আঁকা শাড়ির নকশা নিজেই যথেষ্ট — গয়না তাই কম রাখুন। ভারী নেকলেসের বদলে একটি সরু চেইন বা শুধু কানের দুলই আঁচলের কাজকে ফুটিয়ে তুলবে। ব্লাউজের রং শাড়ির মূল রঙের বদলে মোটিফের কোনো একটি রং থেকে নিলে সাজে গভীরতা আসে।
এবারের পূজায় আপনার শাড়িটাও একটা গল্প বলুক — চারুকথনের প্রতিটি শাড়ি সেভাবেই আঁকা।



